রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেবিদ্বারে এলজিসহ ডাকাত সদস্য গ্রেফতার বিদেশের বাজারেও চাহিদা ধরে রেখেছে কুমিল্লার লতি দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কার্যালয়ে যেতে পারছেন না - পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ কাভার্ডভ্যানকে ধাক্কা দিয়ে গরুবাহী ট্রাক উল্টে লাকসামের ব্যাপারীসহ দুই জন নিহত এসএসসির উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ : কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডে ৭৮১ জনের ফলাফল পরিবর্তন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কিশোরী ধর্ষণের দায়ে কসমেটিকস দোকানির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কুমিল্লায় মেধা অন্বেষণে ‘ছাত্রী সংঘ’ সিনেমার জন্য ২৫ অভিনয়শিল্পী নির্বাচিত কুমিল্লার দেবিদ্বারে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়েও মেডিকেল রিপোর্টে ‘নরমাল’, ন্যায় বিচার নিয়ে শঙ্কিত কমবে উৎপাদন খরচ ও সময় ।। মুরাদনগরে সমলয় পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ শুরু মুরাদনগরে গ্রাম পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন সমিতির সদস্য পথ হারালো কুবির তিন শিক্ষক চান্দিনা পৌর এলাকার রাস্তাঘাটের বেহালদশা, জনদুর্ভোগ চরমে মুরাদনগরে মদ খেয়ে মাতলামি, পাঁচ দিনের কারাবাস নাঙ্গলকোটে অটোরিকশা চালক হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন মুরাদনগরে কৃষক ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হাসেম-ইলিয়াসের নেতৃত্বে বরুড়া প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন বিজয়নগর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীর গাড়ি চালকের ওপর হামলার অভিযোগ চান্দিনা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন, সাধারণ সম্পাদক পদে রোমেন পুনর্নির্বাচিত বরুড়ায় বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত

কুমিল্লার বরুড়ায় পোলট্রি খামারের মুরগী মারার বিচার চাওয়ায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ

প্রতিসময় রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩০২ দেখা হয়েছে

নিজ বাড়িতে গড়ে তোলা পোলট্রি খামারের প্রায় ১২০০ মুরগী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার বিচার চাওয়ায় অনেকটা গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন খামারের ক্ষতিগ্রস্ত মালিক আবদুল মতিন।

ঘটনাটি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের শাকপুর গ্রামে ঘটেছে। সামাজিক সালিশ ও থানায় অভিযোগের পর ঘটনার ২৭দিন অতিবাহিত হলেও ক্ষতিগ্রস্ত আবদুল মতিন ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। বরং প্রতিপক্ষ একই গ্রামের নিকাটাত্মীয় মো. নোমান বাড়ির চলাচলের রাস্তা টিনের সীমানা প্রাচীরে বন্ধ করে দিয়ে আবদুল মতিন ও তার পরিবারকে প্রায় ১০দিন ধরে অনেকটা গৃহবন্দি অবস্থায় রেখেছে।

ঘটনার বিষয়ে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ওই গ্রামের একই বাড়ির মো. নোমান গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে বিষ প্রয়োগে পোলট্রি খামারের প্রায় ১২০০ মুরগী মেরে ফেলে বলে অভিয়োগ করেন আবদুল মতিন। এঘটনার বিচার চেয়ে তিনি প্রথমে স্থানীয় মেম্বার আবদুস সাত্তার ও গণমান্য লোকদের বিষয়টি অবহিত করেন। স্থানীয় মেম্বার ও অন্যান্যরা প্রায় দুই সপ্তাহ চেষ্টা করেও বিষয়টির সমাধানে পৌঁছতে ব্যর্থ হওয়ায় আবদুল মতিনকে থানায় অভিযোগের পরামর্শ দেন।

পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি ঘটনার বিষয় উল্লেখ করে মো. নোমানের বিরুদ্ধে আবদুল মতিন বরুড়া থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের তদন্ত করেন সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) চন্দন। তিনি অভিযোগের তদন্ত করে বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুস সাত্তারের ওপর দায়িত্ব দেন। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পাওয়ার পরও মেম্বার আবদুস সাত্তার প্রতিপক্ষ মো. নোমানের অসহযোগিতার কারণে বিষয়টির শান্তিপূর্ণভাবে মিমাংসা করে দিতে পারেননি। পরে বিষয়টি মেম্বার আবদুস সাত্তার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চন্দনকে জানান।

এরিমধ্যে প্রতিপক্ষ নোমান থানায় অভিযোগ করার অজুহাত তুলে আবদুল মতিনের বাড়ির মাঝখানে টিনের সীমানা দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এ অবস্থায় আদুল মতিনের পরিবার প্রায় ১০/১২দিন ধরে অনেকটা গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুস সাত্তার বলেন, ‘বিষয়টি আমরা প্রথম থেকেই সামাজিকভাবে সমাধান করার চেষ্টা করেছি।কিন্তু আয়ফল নেছা ও তার ছেলে নোমান সহনীয় হলেই কিন্তু দুই পক্ষের এই বিরোধ মিমাংসা হয়ে যেত। তবে আমরা সালিশে বসে আয়ফল নেছাকে বসত বাড়ির জায়গা সম্পত্তির বিষয়ে বলেছি, ওই বাড়ির একজন বিদেশে থাকে, সে দেশে আসলে পরিমাপ করে জায়গাজমি ভাগ করে নেবেন। কিন্তু সালিশের পরদিনই তিনি বাড়ির মাঝখানে টিনের বেড়া দিয়েছেন। এতে আবদুল মতিনের পরিবারের চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা সমাজের লোকজন মিমাংসা করতে না পারার বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি।’

অভিযোগকারি ও ক্ষতিগ্রস্ত আবদুল মতিন জানান, ‘প্রতিপক্ষ নোমানের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে। আর এরই জের ধরে সে আমার মুরগী খামারের প্রায় ১২০০ মুরগী বিষপ্রয়োগ করে মেরে ফেলেছে। এতে আমার প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমি ন্যায় বিচারের জন্য প্রথমে থানায় না গিয়ে গ্রামের মেম্বার মাতব্বর, গণ্যমান্য লোকদের সরণাপন্ন হয়েছি। তাদের বিচার নোমান মানেনি। পরে আমি থানায় অভিযোগ করেছি। থানা থেকেও বিষয়টি সামাজিকভাবে মিমাংসা করার জন্য মেম্বারকে দায়িত্ব দেয়। এরপরও নোমান সমাজের কোন সিদ্ধান্ত বিচার মানতে নারাজ। সে হিংস্র প্রকৃতির। আমি কেন থানায় গেছি, পুলিশকে কেন জানালাম তাই বাড়ির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। আজকে প্রায় ১২দিন পরিবার নিয়ে একরকম বন্দি জীবন কাটাচ্ছি। নোমানের মা আয়ফলের নেছা থেকে আমি এবং আমার ভাই রফিকুল ইসলাম দুই শতক জায়গা সাবকবলা দলিলমূলে ক্রয় করেছি। অথচ আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা আমাদেরকে বুঝিয়ে না দিয়ে নোমান বাড়ির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। সে আমাকে, আমার পরিবারের লোকদেরকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা তার হিংস্রতায় নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। আমি প্রশাসনের কাছে এসব ঘটনার ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

# দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে প্রতিসময় ডট কম ( protisomoy.com) এ চোখ রাখুন এবং প্রতিসময় protisomoy ফেসবুক পেইজে লাইক দিন। এছাড়াও protisomoy ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেলবাটন ক্লিক করে নতুন নতুন সংবাদ ও বিনোদন ভিডিও পেতে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ

Last Updated on February 27, 2021 5:22 pm by প্রতি সময়

শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও খবর...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।

themesba-lates1749691102