সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
কুমিল্লা নগরীর আনন্দধারা বিদ্যাপীঠে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ কুমিল্লার লালমাই বাজারে চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা দাউদকান্দিতে এমপির সেচ্ছাধীন তহবিলের আর্থিক অনুদান পেল অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবার আলোকিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নজরুল মেমোরিয়াল একাডেমীর বর্ণাঢ্য বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান বুড়িচংয়ে মিথলমা সমাজ কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে দুস্থদের আর্থিক সহায়তা দেবিদ্বারে ইটভাটার ট্রাক্টরে পিষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় ফেন্সিডিল ও গাঁজাসহ দুই জন আটক মুরাদনগরে বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ফাউন্ডেশনের কার্যালয় উদ্বোধন বই মেলায় কুবি শিক্ষকের প্রথম উপন্যাস ‘মহারাজাধিরাজ’ অধুনা থিয়েটারের নাট্যউৎসবের লোগো উন্মোচন অবশেষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মুর্শেদ রায়হানকে অব্যাহতি ব্রাহ্মণপাড়ায় মেয়ের জন্য পাত্র দেখতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো পিতার চৌদ্দগ্রামে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত দেবীদ্বার উপজেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটি স্থগিত তজুমদ্দিনে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা নগরীর ফুটপাতে কুসিকের উচ্ছেদ অভিযান ভাষায় দক্ষতা অর্জনই নিজেকে এগিয়ে নেবে : এলজিআরডি মন্ত্রী কায়কোবাদের নির্দেশে কুমিল্লার বিক্ষোভ সমাবেশে মুরাদনগরের শতশত নেতাকর্মী মুরাদনগরে স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় বাহেরচর গ্রামের জাকির গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে স্মার্ট শিক্ষার্থী গড়তে হবে -মেয়র রিফাত

কুমিল্লার বরুড়ায় পোলট্রি খামারের মুরগী মারার বিচার চাওয়ায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ

প্রতিসময় রিপোর্ট
  • আপডেট টাইম শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৫৮ দেখা হয়েছে

নিজ বাড়িতে গড়ে তোলা পোলট্রি খামারের প্রায় ১২০০ মুরগী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলার বিচার চাওয়ায় অনেকটা গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন খামারের ক্ষতিগ্রস্ত মালিক আবদুল মতিন।

ঘটনাটি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার শাকপুর ইউনিয়নের শাকপুর গ্রামে ঘটেছে। সামাজিক সালিশ ও থানায় অভিযোগের পর ঘটনার ২৭দিন অতিবাহিত হলেও ক্ষতিগ্রস্ত আবদুল মতিন ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। বরং প্রতিপক্ষ একই গ্রামের নিকাটাত্মীয় মো. নোমান বাড়ির চলাচলের রাস্তা টিনের সীমানা প্রাচীরে বন্ধ করে দিয়ে আবদুল মতিন ও তার পরিবারকে প্রায় ১০দিন ধরে অনেকটা গৃহবন্দি অবস্থায় রেখেছে।

ঘটনার বিষয়ে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ওই গ্রামের একই বাড়ির মো. নোমান গত ১ ফেব্রুয়ারি রাতে বিষ প্রয়োগে পোলট্রি খামারের প্রায় ১২০০ মুরগী মেরে ফেলে বলে অভিয়োগ করেন আবদুল মতিন। এঘটনার বিচার চেয়ে তিনি প্রথমে স্থানীয় মেম্বার আবদুস সাত্তার ও গণমান্য লোকদের বিষয়টি অবহিত করেন। স্থানীয় মেম্বার ও অন্যান্যরা প্রায় দুই সপ্তাহ চেষ্টা করেও বিষয়টির সমাধানে পৌঁছতে ব্যর্থ হওয়ায় আবদুল মতিনকে থানায় অভিযোগের পরামর্শ দেন।

পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি ঘটনার বিষয় উল্লেখ করে মো. নোমানের বিরুদ্ধে আবদুল মতিন বরুড়া থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের তদন্ত করেন সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) চন্দন। তিনি অভিযোগের তদন্ত করে বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুস সাত্তারের ওপর দায়িত্ব দেন। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পাওয়ার পরও মেম্বার আবদুস সাত্তার প্রতিপক্ষ মো. নোমানের অসহযোগিতার কারণে বিষয়টির শান্তিপূর্ণভাবে মিমাংসা করে দিতে পারেননি। পরে বিষয়টি মেম্বার আবদুস সাত্তার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই চন্দনকে জানান।

এরিমধ্যে প্রতিপক্ষ নোমান থানায় অভিযোগ করার অজুহাত তুলে আবদুল মতিনের বাড়ির মাঝখানে টিনের সীমানা দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এ অবস্থায় আদুল মতিনের পরিবার প্রায় ১০/১২দিন ধরে অনেকটা গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবদুস সাত্তার বলেন, ‘বিষয়টি আমরা প্রথম থেকেই সামাজিকভাবে সমাধান করার চেষ্টা করেছি।কিন্তু আয়ফল নেছা ও তার ছেলে নোমান সহনীয় হলেই কিন্তু দুই পক্ষের এই বিরোধ মিমাংসা হয়ে যেত। তবে আমরা সালিশে বসে আয়ফল নেছাকে বসত বাড়ির জায়গা সম্পত্তির বিষয়ে বলেছি, ওই বাড়ির একজন বিদেশে থাকে, সে দেশে আসলে পরিমাপ করে জায়গাজমি ভাগ করে নেবেন। কিন্তু সালিশের পরদিনই তিনি বাড়ির মাঝখানে টিনের বেড়া দিয়েছেন। এতে আবদুল মতিনের পরিবারের চলাচলে সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমরা সমাজের লোকজন মিমাংসা করতে না পারার বিষয়টি থানায় অবহিত করেছি।’

অভিযোগকারি ও ক্ষতিগ্রস্ত আবদুল মতিন জানান, ‘প্রতিপক্ষ নোমানের সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে। আর এরই জের ধরে সে আমার মুরগী খামারের প্রায় ১২০০ মুরগী বিষপ্রয়োগ করে মেরে ফেলেছে। এতে আমার প্রায় পৌনে তিন লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমি ন্যায় বিচারের জন্য প্রথমে থানায় না গিয়ে গ্রামের মেম্বার মাতব্বর, গণ্যমান্য লোকদের সরণাপন্ন হয়েছি। তাদের বিচার নোমান মানেনি। পরে আমি থানায় অভিযোগ করেছি। থানা থেকেও বিষয়টি সামাজিকভাবে মিমাংসা করার জন্য মেম্বারকে দায়িত্ব দেয়। এরপরও নোমান সমাজের কোন সিদ্ধান্ত বিচার মানতে নারাজ। সে হিংস্র প্রকৃতির। আমি কেন থানায় গেছি, পুলিশকে কেন জানালাম তাই বাড়ির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। আজকে প্রায় ১২দিন পরিবার নিয়ে একরকম বন্দি জীবন কাটাচ্ছি। নোমানের মা আয়ফলের নেছা থেকে আমি এবং আমার ভাই রফিকুল ইসলাম দুই শতক জায়গা সাবকবলা দলিলমূলে ক্রয় করেছি। অথচ আমাদের ক্রয়কৃত জায়গা আমাদেরকে বুঝিয়ে না দিয়ে নোমান বাড়ির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। সে আমাকে, আমার পরিবারের লোকদেরকে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা তার হিংস্রতায় নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। আমি প্রশাসনের কাছে এসব ঘটনার ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।’

# দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে প্রতিসময় ডট কম ( protisomoy.com) এ চোখ রাখুন এবং প্রতিসময় protisomoy ফেসবুক পেইজে লাইক দিন। এছাড়াও protisomoy ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেলবাটন ক্লিক করে নতুন নতুন সংবাদ ও বিনোদন ভিডিও পেতে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ

Last Updated on February 27, 2021 5:22 pm by প্রতি সময়

শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও খবর...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।

themesba-lates1749691102