রবিবার, ০৩ জুলাই ২০২২, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মুরাদনগরে ড্রেজার মেশিনের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান নাচ গানে বর্ষার বন্দনা কুমিল্লা সাংস্কৃতিক জোটের কুসিক মেয়র রিফাতকে মহানগর ক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা লাকসাম পৌর বিএনপির সম্মেলন কুমিল্লা শহরে করতে এসে বাধার মুখে চৈতী কালাম গ্রুপ মুরাদনগরে নারী মানবাধিকার কর্মীকে মারধরের ঘটনার মামলায় একজন আটক  ভুয়া কাবিননামায় স্ত্রী দাবী! ইংল্যান্ড প্রবাসীর সম্পদ দখলের অভিযোগ সংবাদসম্মেলনে খেলাধূলা এগিয়ে নিতে ও ভালো মানের খেলোয়াড় সৃষ্টিতে করণীয় বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে : মেয়র রিফাত মুরাদনগরে শালিসে নারী মানবাধিকার কর্মীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি -সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল কুমিল্লায় র‌্যাবের পৃথক অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবাসহ দুই জন আটক  বিপুল ত্রাণসামগ্রী নিয়ে বন্যার্তদের পাশে আবিদপুর সিটিজি যুবসমাজ ডা. মল্লিকা বিশ্বাস আন্তর্জাতিক নারী সংগঠন ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অনিয়ম ও অপকৌশল চর্চার শিক্ষা না দেওয়ার আহ্বান উপজেলা চেয়ারম্যান টুটুলের কুমিল্লায় আইজিপি কাপ কাবাডিতে বান্দরবান চ্যাম্পিয়ন সদর দক্ষিণে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ, বিয়ে বাড়ির খাবার এতিমখানায় বিতরণ কুমিল্লায় ধর্ষণের অভিযোগে চাষী মামুন গ্রেফতার কুসিকের নব নির্বাচিত মেয়র কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ ৪ জুলাই আজকের শিক্ষার্থীদের আগামী দিনে পরিবেশ সংরক্ষণে এ্যাম্বেসেডর হতে হবে -পরিবেশ দিবসের আলোচনা সভায় শওকত আরা কলি সেবার মান সন্তোষজনক পর্যায়ে উন্নীত না পর্যন্ত গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ তহবিলে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির চেক হস্তান্তর লাকসামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

মামুনুল হকের নির্দেশে ১৭ হেফাজত নেতার নেতৃত্বে সহিংসতা : মামলার এজহারে অভিযোগ

প্রতিসময় ডেস্ক
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০৮ দেখা হয়েছে
# মামনুল হক। ফাইলফটো

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে (২৬ মার্চ) বায়তুল মোকাররমে সহিংসতার ঘটনায় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকসহ ১৭ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। মামুনুল হককে এক নম্বর ও হুকুমের আসামি করা হয়েছে।

সোমবার (৫ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উপ-দফতর সম্পাদক খন্দকার আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়- ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে সাধারণ মুসল্লিদের উপর হামলা চালানো হয়। এছাড়াও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর অনুষ্ঠিত কর্মসূচি বানচাল করতে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে মামুনুল হক।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে মামুনুল হকের নির্দেশে ১৭ হেফাজত নেতার নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিচ, হাতুড়ি, তলোয়ার, লাঠিসোটাসহ অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ হামলায় মামলার বাদী আরিফ উজ জামান গুরুতর আহত হন।

এ সময় তারা জমায়েত থেকে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী নানা স্লোগান দিতে থাকে। হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ নির্দেশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিজ, হাতুড়ি, তলোয়ার, বাশ, গজারি, সাবল, পাইপ ও রিভলবারসহ অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে অতর্কিতভাবে সাধারণ মুসল্লিদের ওপর হামলা করে।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিরা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের টাইলস ভেঙ্গে ফেলে, বিভিন্ন হাদিস, কোরআন শরিফসহ ধর্মীয় পুস্তকে অগ্নিসংযোগ করে ইসলামের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে।

এছাড়া মামুনুল হকসহ অন্যান্য আসামিদের পূর্ব পরিকল্পনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর করে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ অফিস ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করে।

মামলার এজাহারে মামুনুল হককে দণ্ডবিধি ১৪৭ ধারায় দাঙ্গা সৃষ্টি করার নির্দেশদাতা বা হুকুমদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় তার বিরুদ্ধে ১৪৮ ধারায় দাঙ্গায় অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, ১৪৯ ধারায় অপরাধের জন্য সমাবেশ করার নির্দেশ, ৩২৫ ধারায় ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করার নির্দেশ, ৩২৬ ধারায় অস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত, অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যাচেষ্টার নির্দেশ, ৪২৭ ধারায় আর্থিক ক্ষতিসাধনের হুকুম দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক আইন যুক্ত করা হয়েছে।

মামলায় বাকি আসামিরা হলেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা লোকমান হাবিব, যুগ্ম-মহাসচিব নাসির উদ্দিন মনির, নায়েবে আমির মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাখজান মাওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদী।

এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া নায়েবে আমির মাজেদুর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়্যুবী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা জসিম উদ্দিন, টঙ্গীর সহ-সাংগঠনিক মাওলানা মাসুদুল করিম, অর্থ সম্পাদক মুফতি মনির হোসাইন কাশেমী, প্রচার সম্পাদক মাওলানা যাকারিয়া নোমান ফয়েজী, মাওলানা ফয়সাল আহমেদ, সহকারী দাওয়া সম্পাদক মাওলানা মুশতাকুন্নবী, ছাত্র ও যুব সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. জোবায়ের ও দফতর সম্পাদক মাওলানা হাফেজ মো. তৈয়ব।

মামলার এজহারে এই ঘটনার পেছনে হেফাজতের সঙ্গে জামায়াত-শিবির-বিএনপি জঙ্গি কর্মীদের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এজাহারে হেফাজত ছাড়া অন্য কোনো দলের কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি।

# দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে প্রতিসময় (protisomoy) ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।    

Last Updated on April 6, 2021 12:22 pm by প্রতি সময়

শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও খবর...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!