সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
সদর দক্ষিণে ১০০কেজি গাঁজাসহ দুই জন আটক  দেবীদ্বারে আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় মাদক বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত ব্যাংককে গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন এমপি বাহারকন্যা সূচনা কুমিল্লায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বিশাল আনন্দ র‍্যালি মুরাদনগরে ছয় বছরের শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে একজন গ্রেফতার বর্ষা এলেই মুরাদনগরে বেড়ে যায় নৌকার চাহিদা বেঈমান মুনাফেকদের চেহারা এই সিটি নির্বাচনে ভেসে উঠেছে : এমপি বাহার  সদরের কালির বাজারে দুই সেনা কর্মকর্তা ও কলেক শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুমিল্লায় দুই ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেবিদ্বারে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু কুমিল্লায় ৬০ কেজি গাঁজা সহ দুই জন আটক কর্মক্ষেত্রে নিজেদের কর্তব্য ও ভূমিকা সম্পর্কে আদালতের সহযোগী কর্মচারীদের দায়িত্বশীল হতে হবে : সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কুমিল্লা স্টেডিয়ামে মোহামেডানকে হারাল আবাহনী জাতীয় পদক প্রাপ্ত মতিন সৈকতকে দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসনের সংবর্ধনা চাকা ফেটে উল্টে যাওয়া বাসের ৪০ যাত্রীর সাত জন আহত পূজামন্ডপের ঘটনায় কুমিল্লা সিটি কাউন্সিলরসহ আটজন কারাগারে শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন কুমিল্লা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী নারায়নগঞ্জের পর কুমিল্লার বরুড়ায় জন্ম নেওয়া যমজ শিশুর নাম রাখা হলো পদ্মা-সেতু

হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে জান্নাত আরা ঝর্ণার ধর্ষণ মামলা

প্রতিসময় ডেস্ক
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১
  • ১১৪ দেখা হয়েছে
# ফাইলফটো

হেফাজতে ইসলামের আলোচিত নেতা মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন রয়েল রিসোর্টের সেই নারী জান্নাত আরা ঝর্ণা।  যাকে মামুনুল হক দ্বিতীয স্ত্রী হিসেবে দাবী করে আসছিলেন।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম মামলার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সকালে থানায় এসে জান্নাত আরা ঝর্ণা নামে এক নারী মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি লিপিবদ্ধ হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

মামলার এজাহারে ঝর্ণা বলেছেন, আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে মামুনুল হক আমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আমাকে গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরির নাম করে নিয়ে গিয়ে তার পরিচিত বিভিন্ন হোটেল ও রিসোর্টে রাত্রীযাপন ও বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তার যৌন লালসা চরিতার্থ করে। আমি বিয়ের কথা বললে সে আমাকে ‘করবো-করছি’ বলে নানান অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকে।

গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন রয়েল রিসোর্টের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মামলার এজাহারে ঝর্ণা বলেছেন, সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল আমাকে ঘোরাঘুরির কথা বলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ রয়েল রিসোর্টে নিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে অবস্থানকালে স্থানীয় জনগণ আমাদের আকস্মিকভাবে আটক করে এবং আমাদের (মামুনুল হক ও আমার) পরিচয় জানতে চায়। আমরা কোনও সদুত্তর দিতে না পারায় স্থানীয় জনতার রোষাণলে পড়ি। পরবর্তীতে মামুনুল হকের অনুসারীরা রিসোর্টে হামলা করে আমাদের নিয়ে যায়।

এজাহারে তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় দেশব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠলে মামুনুল হক আমাকে আমার নর্থ সার্কুলার রোডের ভাড়া বাসায় যেতে না দিয়ে তার পরিচিত একজনের বাসায় অবৈধভাবে জোরপূর্বক আটকে রাখে। এ সময় আমি আমার আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। একপর্যায়ে সুকৌশলে আমার বড় ছেলে আব্দুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে আমার দুরবস্থার কথা জানাই এবং আমাকে এই বন্দিদশা থেকে উদ্ধারের জন্য আইনের আশ্রয় নিতে বলি। পরবর্তীতে ডিবি পুলিশ আমাকে উদ্ধার করে আমাকে আমার বাবার জিম্মায় দেয়।

মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয়ের বর্ণনা দিয়ে ঝর্ণা তার এজাহারে বলেন, আমার সাবেক স্বামী শহীদুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে ২০০৫ সালে মামুনুলের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। মামুনুল হকের সঙ্গে পরিচয়ের আগে আমাদের দাম্পত্য জীবন অত্যন্ত সুখে-শান্তিতে অতিবাহিত হচ্ছিল। স্বামীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে আমাদের বাসায় মামুনুল হকের অবাধ যাতায়াত থাকায় পরিচয়ের শুরু থেকেই আমার ওপর তার লোলুপ দৃষ্টি পড়ে। যার ফলে আমাদের ছোটখাটো সাংসারিক মতানৈক্যের মধ্যে সে কৌশলে প্রবেশ করে ধীরে ধীরে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতে থাকে। মামুনুল হকের কু-মন্ত্রণায় আমাদের দাম্পত্য জীবন চরম বিষিয়ে ওঠে। সাংসারিক এই টানাপড়েনের মধ্যে মামুনুল হকের পরামর্শে ২০১৮ সালের ১০ আগস্ট বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

এজাহারে বলা হয়েছে, বিচ্ছেদের পর আমি পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অসহায় হয়ে পড়ি। আমার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে মামুনুল হক আমাকে সহযোগিতার নাম করে কৌশলে ঢাকায় আসার জন্য আমাকে প্ররোচিত করে। আমি একজন আলেমকে ভরসা করে সরল বিশ্বাসে তার সঙ্গে ঢাকায় চলে আসি। ঢাকায় আসার পর শুরুতে আমাকে তার পরিচিত বিভিন্ন অনুসারীদের বাসায় আমাকে রাখে এবং নানান ভাবে আকার ইঙ্গিতে আমাকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকে। একপর্যায়ে আমার পারিপার্শ্বিক অবস্থার কারণে তার প্রলোভনে পা দিতে বাধ্য হই। এরই ধারাবাহিকতায় তার পরামর্শে আমি কলাবাগানের নর্থ সার্কুলার রোডের একটি বাসায় সাবলেট ভাড়া নিয়ে থাকা শুরু করি এবং তার ঠিক করে দেয়া একটি বিউটি পার্লারে কাজ শিখতে থাকি।

# দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে প্রতিসময় (protisomoy) ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

Last Updated on April 30, 2021 12:20 pm by প্রতি সময়

শেয়ার করুন
এই ধরনের আরও খবর...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন।

themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!