মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রী এই প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করেন এবং বুধবার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মেলাটি সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের হাতে প্রথম পুরস্কার ও ট্রফি তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া। ঢাবি রোবোটিক্স দলের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি গ্রহণ করেন দলের অন্যতম প্রধান সদস্য এবং ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী জারা তাসনুভা আলম ও তার বান্ধবী হুমায়রা তাবাসসুম তুরাজা।

এই অনন্য অর্জনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার নাম দেশজুড়ে উজ্জ্বল করেছেন জারা তাসনুভা আলম। তিনি দেবিদ্বারের মোহনপুর ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের কন্যা।

পুরস্কার গ্রহণ শেষে জারা তাসনুভা আলম অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করা আমার জীবনের অন্যতম সেরা একটি প্রাপ্তি। আমাদের এই প্রজেক্টটি আগামী দিনে দেশের জ্বালানি সাশ্রয় এবং পরিবেশ রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।”

মেয়ের এই গৌরবময় সাফল্যে আনন্দিত ও গর্বিত তার পিতা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও দেশের কল্যাণে অবদান রাখার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের অসংখ্য উদ্ভাবনকে পেছনে ফেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোবোটিক্স বিভাগের এই প্রজেক্টটি বিচারকদের দৃষ্টিতে সেরা হিসেবে বিবেচিত হয়। তরুণদের এমন পরিবেশবান্ধব উদ্ভাবন আগামী দিনে টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।